জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক::
নিরপেক্ষ, সুশৃঙ্খল, সাশ্রয়ী ও স্বচ্ছ অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে অভিবাসীদের অবদানকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে একটি ‘অভিবাসন দশক’ ঘোষণার উদ্যোগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন রামরু প্রতিনিধিরা।
এ সময় রামরুর ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার বিষয়ে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে ড. তাসনিম সিদ্দিকী রামরুর তিন দশকের গবেষণা, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও বিভিন্ন অর্জন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, শ্রম অভিবাসন, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি, শরণার্থী এবং অভিবাসী শ্রমিকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা ও নীতিগত পর্যায়ে কাজ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
এ সময় অভিবাসী কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করা, অভিবাসনসংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা বাড়ানো এবং অভিবাসীদের ইতিবাচক অবদানকে আরও উৎসাহিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী নিয়ে রামরুর গবেষণা ও নীতিগত উদ্যোগ, এ জনগোষ্ঠীর বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে ককাস গঠন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ তুলে ধরার বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন রামরুর উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার, উপ-নির্বাহী পরিচালক মোতাসিম বিল্লাহ, প্রোগ্রাম পরিচালক মারিনা সুলতানা এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মাহমুদুল হাসান রকি।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও জনবিভাগের সচিব উপস্থিত ছিলেন।





