স্পোর্টস ডেস্ক::
আবুধাবি টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় লিড নিয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন শেষে ৩২৯ রানের লিড পাওয়া টাইগাররা চতুর্থ দিন শুরু করে ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে।
চতুর্থ দিনের শুরুতে দ্রুত রান তুলছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের লিড ৩৫০ রান ছাড়িয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২৫৩ রান। লিটন ২৬ এবং মিরাজ ৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৪৬ রান সংগ্রহ করেছিল। জবাবে আফগানিস্তান গুটিয়ে যায় ২৪০ রানে। এতে প্রথম ইনিংসেই ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংসে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। তিনি একাই নিয়েছেন ৫ উইকেট এবং পূরণ করেছেন হ্যাটট্রিক। অন্যদিকে ব্যাট হাতে আফগানিস্তানের হয়ে সেঞ্চুরি করেন রহমত শাহ। ২১৬ বলে ১০টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১০৫ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
তৃতীয় দিনের শুরুতেই আফগান ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান বাংলাদেশের বোলাররা। এবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদের বোলিং তোপে মাত্র ১ রানের ব্যবধানে ৪টি উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এর মধ্যেই দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েন হাসান।
দিনের তৃতীয় ওভারে আক্রমণে এসে ইকরাম আলি খিলকে ৩২ রানে বোল্ড করেন এবাদত হোসেন।
এর পরের ওভারে টানা দুই বলে দুই উইকেট তুলে নেন হাসান মাহমুদ। প্রথমে ইসমত আলমকে ১ রানে বোল্ড করার পর পরের বলেই সুইংয়ে কায়েস আহমেদকে শূন্য রানে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি।
হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি হলে নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হাসানের পরের বলটি জিয়াউর রহমানের ব্যাটের পাশ দিয়ে গিয়ে লিটন দাসের গ্লাভসে জমা পড়ে। বাংলাদেশ আবেদন করলেও আম্পায়ার তা নাকচ করে দেন।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল ব্যাটে না লাগলেও প্যাডে আঘাত করেছে এবং বলটি অফস্টাম্পে আঘাত করত। ফলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন জিয়াউর রহমান। এর মধ্য দিয়ে টেস্টে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন হাসান মাহমুদ।
এরপর ইয়ামিন আহমেদজাইকে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ বানিয়ে ইনিংসে নিজের পাঁচ উইকেটও পূরণ করেন হাসান। টেস্ট ক্রিকেটে এটি তার চতুর্থ ফাইফার।
হাসান মাহমুদ ৫৫ রান দিয়ে ৫টি উইকেট শিকার করেন। এবাদত হোসেন ৫৬ রানে নেন ৪ উইকেট। আর একটি উইকেট পান মেহেদী হাসান মিরাজ।





