বইমেলা হচ্ছে সাহিত্যের বিশাল সমাবেশ: এমপি আবু সুফিয়ান

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম ::

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেছেন, বই মেলা সাহিত্যের বিশাল সমাবেশ, যেখানে লেখক ও পাঠক শব্দ ও জ্ঞানের উদযাপনে মিলিত হন।

 

তিনি বলেছেন, উন্নত বিশ্বের মতো আমাদেরও বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে এবং বইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।

 

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউরী জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে স্বাধীনতা বই মেলার আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু সুফিয়ান এ কথা বলেন।

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ১৯ দিনব্যাপী বই মেলার পঞ্চম দিনে ‘চট্টগ্রামের উন্নয়ন, নগরবাসীর চাহিদা ও জনপ্রতিনিধির দায়বদ্ধতা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

আবু সুফিয়ান বলেন, জাপানের মতো দেশে মানুষ এখনো ট্রেন-বাসে বই পড়ে। আমাদেরও সেই অভ্যাসে ফিরে যেতে হবে।

 

শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, শিক্ষকদের আরও বেশি পড়াশোনা করা প্রয়োজন, কারণ শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে।

 

আবু সুফিয়ান বলেন, বইমেলা মানুষের মধ্যে বইয়ের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করে এবং নতুন বই ও লেখকের সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ তৈরি করে।

 

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা বইয়ের সঙ্গে মানুষের পুনঃসংযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উন্নয়ন একটি আপেক্ষিক বিষয়, যা মানুষের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং এই দায়িত্ব ক্ষমতা নয়, দায়িত্ববোধ থেকেই পালন করা উচিত।

 

 

আবু সুফিয়ান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

মঞ্চ ব্যবস্থাপনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক হারুন জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ আলোচক ছিলেন আলহাজ এম এ আজিজ, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন ও আনোয়ার হোসেন লিপু।

 

স্বাগত বক্তব্য দেন রাশেদ ইবনে ফরিদ চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি শাহাব উদ্দিন হাসান বাবু এবং চসিকের সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ মামুন।

 

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নাহিদা নাজু।

সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন মেহেদী হাসান ও জান্নাতুল ফেরদৌস সুমি এবং চসিকের হাতেখড়ি স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।